Breaking News

Post Top Ad

Your Ad Spot

Thursday, September 27, 2018

মুশফিক ও ওয়ানডে ক্রিকেটের পাঁচটি স্মরণীয় ৯৯


পাকিস্তানের বিপক্ষে ৯৯ রানে আউট হওয়ার পর মুশফিকুর রহিম


মুশফিকুর রহিম পাকিস্তানের বিপক্ষে ৯৯ রানের একটি ইনিংস খেলেন। 


যেটি বাংলাদেশের যেকোনো ফরম্যাটের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম ৯৯ রানের ব্যক্তিগত ইনিংস।
পাকিস্তানের বিপক্ষে অলিখিত এই সেমিফাইনালে ১২ রানে বাংলাদেশের ৩ উইকেট পড়ে যায়।মূলত মুশফিকের ইনিংসকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে বাংলাদেশের পুঁজি। তিনটি উইকেট চলে যাওয়ার পর মুশফিক ও মোহাম্মদ মিথুন ১৪৪ রানের জুটি গড়েন। বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৩৯ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তান পুরো ৫০ ওভার ব্যাট করে ৯ উইকেট হারিয়ে ২০২ রান তোলে। ৩৭ রানের এই জয়ে বাংলাদেশ দুবাইতে এশিয়া কাপের ফাইনালে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করে।

 

শচীন টেন্ডুলকার, প্রতিপক্ষ পাকিস্তান, মোহালি ২০০৭

বিশ্ব ক্রিকেটের সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে আলোচিত ভারতীয় ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার তাঁর ওয়ানডে ক্যারিয়ারে মোট ১৮ বার ৯০ থেকে ৯৯ রানের মধ্যে আউট হন। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০০৭ সালে ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে শচীন ও সৌরভ গাঙ্গুলী ভারতের হয়ে ব্যাটিং উদ্বোধন করেন।



মোহালিতে পাক-ভারত ওয়ানডে ম্যাচে শোয়েব আখতার ও শচীন টেন্ডুলকার


শচীন ১৪টি চার ও একটি ছক্কায় ৯১ বলে ৯৯ রান করে উমর গুলের বলে 'কট বিহাইন্ড' হন।
ভারত ৩২১ রান করেও এই ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে চার উইকেটে হেরে যায় এই ম্যাচে।
২০০৭ সালেই শচীন টেন্ডুলকার দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৯৯ রানের দুটি ইনিংস খেলেন।

 

সনথ জয়সুরিয়া, প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড, অ্যাডেলেইড ২০০৩

সনথ জয়সুরিয়া ওয়ানডে ক্যারিয়ারে মোট ছয় বার ৯০ থেকে ৯৯ রানের মধ্যে আউট হন। ২০০৩ সালে ভিবি সিরিজে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একটি ম্যাচে ইংল্যান্ড শুরুতে ব্যাট করে ২৭৯ রান তোলে।





ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৯৯ রানের একটি ইনিংস খেলার সময় জয়সুরিয়া



নিক নাইট ইংল্যান্ডের হয়ে ৮৮ রান তোলেন। জবাব দিতে নেমে স্বভাবসুলভ মারকুটে ব্যাটিংয়েই হাল ধরেন জয়সুরিয়া। ৮৩ বলে তিনি ৯৯ রানের মাথায় রান আউট হন। জয়সুরিয়া যখন আউট হন তখন শ্রীলঙ্কার রান ছিল ৫ উইকেটে ১৫৮। শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ১৯ রানে হেরে যায় জয়সুরিয়ার শ্রীলঙ্কা।

 

অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা, সেঞ্চুরিয়ন ২০০৩ বিশ্বকাপ






Image caption: ২০০৩ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অ্যাডাম গিলক্রিস্ট
২০০৩ বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান অ্যাডাম গিলক্রিস্ট। তিনিও জয়সুরিয়ার মতো ওয়ানডে ক্যারিয়ারে মোট ছয় বার ৯০ থেকে ৯৯ রানের মধ্যে আউট হন। দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপের একটি ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া আগে ব্যাট করে ৩১৯ রান তোলে। ৮৮ বলে ৯৯ রানের একটি ইনিংস খেলেন 'গিলি'। ১৪টি চার ও দুটি ছক্কা হাঁকান ওয়ানডে ক্রিকেটের অন্যতম সফল এই ওপেনার। এই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া শ্রীলঙ্কাকে ৯৬ রানে হারায়। শেষ পর্যন্ত ২০০৩ বিশ্বকাপ জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া।

আরো পড়ুন:
পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ

 

অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ, প্রতিপক্ষ ভারত, লন্ডন ২০০৪






Image caption: ২০০৪ সালে অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ



অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ ছিলেন হাল আমলের অন্যতম সেরা পেস বোলিং অলরাউন্ডার। ২০০৪ সালে ভারতের ইংল্যান্ড সফরের দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে ফ্লিনটফ ৯৯ রানের একটি ইনিংস খেলেন। লন্ডনের কেনিংটন ওভালে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে হরভজন সিংয়ের বোলিং তোপে পড়ে ইংল্যন্ড। ১০৫ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর পল কলিংউডের সাথে জুটি বাঁধেন পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে নামা ফ্লিনটফ।
সেই জুটিতে দুজন ১৭৪ রান যোগ করেন। ফ্লিনটফ ৯৩ বল খেলে করেন ৯৯ রান। ৫ উইকেট হারিয়ে ৩০৭ রান তোলে ইংল্যান্ড। এই ম্যাচে ইংল্যান্ড ভারতকে ৭০ রানে হারায়।

 

রাহুল দ্রাবিড়, প্রতিপক্ষ পাকিস্তান, করাচি ২০০৪






Image caption: করাচিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে রাহুল দ্রাবিড়
২০০৪ ভারতের পাকিস্তান সফরটি ছিল ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম ক্লাসিক একটি সিরিজ। এই সিরিজের প্রথম ম্যাচটি হয় করাচিতে পাকিস্তানের জাতীয় স্টেডিয়ামে। শুরুতে ব্যাট করতে নামে ভারত। ভিরেন্দর সেবাগ, শচীন টেন্ডুলকার ও সৌরভ গাঙ্গুলির দারুণ শুরুর পর রাহুল দ্রাবিড় ১০৪ বলে ৯৯ রানের একটি ইনিংস খেলেন। শেষ পর্যন্ত ভারত পুরো ৫০ ওভার ব্যাট করে ৭ উইকেট হারিয়ে ৩৪৯ রান তোলে। পাকিস্তানের ইনিংস থামে ৩৪৪ রানে। শেষ বলে ৫ রান প্রয়োজন ছিল কিন্তু মইন খান আশিষ নেহরার বলে ক্যাচ তুলে দেন জহির খানের হাতে। এই ম্যাচে ১২২ রান করে ম্যাচসেরা হন পাকিস্তানের ব্যাটসম্যান ইনজামাম উল হক। 

News: Online BBC Bangla

No comments:

Post a Comment

hi

Post Top Ad

সিরাজাবাদ কন্ঠে আপনাদের স্বাগতম